থিবীর ভৌগোলিক জিনিস বলতে পর্বতমালা, মালভূমি, নদী, হ্রদ, সাগর, জলপ্রপাত, মরুভূমি, বনভূমি, দ্বীপপুঞ্জ এবং বিভিন্ন অঞ্চলের বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ স্থান (যেমন—'সূর্যোদয়ের দেশ' জাপান) ও ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য (যেমন—'ঢাকাই মসলিন') বোঝায়, যা পৃথিবীর বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে।
- বৈকাল হৃদ- রাশিয়ায় অবস্থিত পৃথিবীর গভীরতম হৃদ
- ডেড সী- জর্ডান ও ইসরাইলের মধ্যে অবস্থিত।
- কাস্পিয়ান সাগর- পৃথিবীর বৃহত্তম লবণ হ্রদ।
- মানস সরোবর হৃদ- তিব্বতের সুপেয় পানির হ্রদ ।
- ভিক্টোরিয়া হৃদ- আফ্রিকার বৃহত্তম এবং পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম হৃদ তাঞ্জানিয়া, কেনিয়া ও উগান্ডায় অবস্থিত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ডেড সী বা মৃত সাগর হলো মধ্যপ্রাচ্যের একটি লবণাক্ত হ্রদ যা জর্ডান, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন দ্বারা বেষ্টিত, এটি পৃথিবীর সর্বনিম্ন স্থান এবং এর পানি অত্যন্ত লবণাক্ত হওয়ায় এতে কোনো প্রাণের অস্তিত্ব নেই, যার ফলে একে "মৃত" বলা হয়; এর ঘন লবণাক্ত পানির কারণে মানুষ এখানে সহজে ভাসে, এবং এর খনিজ সমৃদ্ধ কাদা ও লবণ স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- অবস্থান: জর্ডান (পূর্ব) এবং ইসরায়েল ও পশ্চিম তীর (পশ্চিম) এর সীমানায় অবস্থিত।
- লবণাক্ততা: সমুদ্রের পানির চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি লবণাক্ত, যা একে পৃথিবীর অন্যতম লবণাক্ত জলাশয় করে তুলেছে।
- নিম্নতা: এটি পৃথিবীর সর্বনিম্ন স্থলভাগ, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০ মিটার নিচে।
- ভাসমানতা: পানির উচ্চ ঘনত্ব (density) থাকার কারণে মানুষ এতে সহজে ভেসে থাকতে পারে, যা একটি অনন্য অভিজ্ঞতা।
- প্রাণহীন: অত্যধিক লবণাক্ততার কারণে এতে মাছ বা জলজ উদ্ভিদ জন্মাতে পারে না, তাই এর নাম মৃত সাগর।
- খনিজ: এতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ রয়েছে, যা প্রসাধনী ও ঔষধি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তর হ্রদের নাম হচ্ছে 'কাস্পিয়ান সাগর'। একটি হ্রদ হওয়ার পরেও এর বিশালতা এবং পানির লবণাক্ততার জন্য এই হ্রদটি 'কাসপিয়ান সাগর' নামে পরিচিত।
কাস্পিয়ান সাগর আয়তনে অনুসারে পৃথিবীর বৃহত্তম আবদ্ধ জলাশয়। একে পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে যার আয়তন একটি সম্পূর্ণ সাগরের সমান। এ সাগর এশিয়া ইউরোপের মাঝে, ককেসাস পর্বতমালার পূর্বে এবং স্তেপ ও মধ্য এশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত।এর পৃষ্ঠতলীয় ক্ষেত্রফল ৩৭১,০০০ বর্গ কিলোমিটার (১৪৩,২৪৪ বর্গ মাইল) (কারাবোগাজগল উপহ্রদ বাদে) এবং আয়তন ৭৮,২০০ ঘন কিলোমিটার (১৮,৭৬১ ঘন মাইল)।এর লবণাক্ততা প্রায় ১.২% (১২গ্রাম/লিটার) যা অন্যান্য সাগরের এক তৃতীয়াংশ।
অবস্থানঃ আজারবাইজান, রাশিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কিমেনিস্তান, ইরান
Key Points
- বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ।
- এটি লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- দৈর্ঘ্য ১১৯৯ কিমি।
- এটি মূলত ভূ-বেষ্টিত সাগর।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
হিমালয়; এর অবস্থান - চীন, ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, নেপাল
আন্দিজ এ অবস্থান - দক্ষিন আমেরিকা
আল্পস এর অবস্থান - সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ইতালি, ফ্রান্স
জেনে নিই
- এভারেস্ট শৃঙ্গের নেপালি নাম- সাগরমাতা আর চীনা নাম- চুমোলামা
- মাউন্ট এভারেস্ট এভারেস্টের ৮৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট
- প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী- নিউজিল্যান্ডের অ্যাডমন্ড হিলারি ও নেপালের তেনজিং নোরগে শেরপা (১৯৫৩)।
- এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম মহিলা- জাপানের জুনকো তাবেই (১৯৭৫)
- এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাঙালি- ভারতের সত্যব্রত দাস (২০০৪)
- এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাঙালি নারী- ভারতের শিপ্রা মজুমদার (২০০৫)
- এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি মুসা ইব্রাহিম (২০১০)
- এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি নারী- নিশাত মজুমদার (২০১২)
- মৃত্যু উপত্যকা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত।
- পৃথিবীর বৃহত্তম সমভূমি— মধ্য ইউরোপের সমভূমি।
- ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বতমালার নাম- আল্পস।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
হিমালয় পর্বতমালা এশিয়ার একটি পর্বতশ্রেণী, যা দক্ষিণ এশিয়ার সমভূমিকে তিব্বতীয় মালভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন করে। এই পর্বতমালায় পৃথিবীর কিছু সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ অবস্থিত, যার মধ্যে সর্বোচ্চটি হলো মাউন্ট এভারেস্ট। হিমালয়ে ৭,২০০ মিটারের (২৩,৬০০ ফুট) বেশি উচ্চতার ১০০টিরও বেশি পর্বতশৃঙ্গ রয়েছে।
হিমালয় পাঁচটি দেশের সীমানা ঘিরে রয়েছে: নেপাল, চীন, পাকিস্তান, ভুটান এবং ভারত।
হিমালয় এশিয়ার একটি বিশাল, অর্ধবৃত্তাকার ভঙ্গিল পর্বতমালা যা ভারতীয় উপমহাদেশকে তিব্বতীয় মালভূমি থেকে আলাদা করেছে এবং এতে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টসহ বহু সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গ অবস্থিত। এটি মূলত চারটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণী নিয়ে গঠিত: শিবালিক, নিম্ন হিমালয়, গ্রেট হিমালয় (কেন্দ্রীয় ও সর্বোচ্চ) এবং তিব্বতীয় হিমালয়, যা ভারত, নেপাল, ভুটান, পাকিস্তান ও চীনের অংশ জুড়ে বিস্তৃত। ভারতীয় ও ইউরেশীয় পাত প্লেটের সংঘর্ষে এর জন্ম, যা এটিকে বিশ্বের নবীনতম ও সর্বোচ্চ পর্বতশ্রেণীতে পরিণত করেছে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য
- বিস্তার: পাকিস্তানের সিন্ধু নদী থেকে শুরু হয়ে নেপাল, ভারত, ভুটান হয়ে পূর্বদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের বাঁক পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সমান্তরাল শ্রেণী: দক্ষিণ থেকে উত্তরে শিবালিক, নিম্ন হিমালয়, গ্রেট হিমালয় ও তিব্বতীয় হিমালয় - এই চারটি সমান্তরাল ধারা বিদ্যমান।
- উচ্চতা: পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ে অবস্থিত।
- "তৃতীয় মেরু": হিমালয় পর্বতমালায় বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বরফ ও তুষার ভাণ্ডার রয়েছে, তাই একে "তৃতীয় মেরু"ও বলা হয়।
সৃষ্টি
- প্রায় কোটি কোটি বছর আগে ভারতীয় পাত ও ইউরেশীয় পাতের মধ্যে massive সংঘর্ষের ফলে পৃথিবীর ভূত্বক ভাঁজ খেয়ে উপরের দিকে উঠে হিমালয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
আন্দিজ পর্বতমালা বা আন্দেস পর্বতমালা পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালা। দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত এই পর্বতমালার দৈর্ঘ্য কমপক্ষে ৭,০০০ কি.মি. (৪,৪০০ মাইল) এবং গড় প্রস্থ ৫০০ কি.মি. (৩০০ মাইল)। এই পর্বতমালার গড় উচ্চতা প্রায় ৪০০০ মি. (১৩,০০০ ফুট)। আন্দিজ উত্তর থেকে দক্ষিণে সাতটি দক্ষিণ আমেরিকান দেশ: ভেনেজুয়েলা, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, পেরু, বলিভিয়া, চিলি এবং আর্জেন্টিনা পর্যন্ত বিস্তৃত।
আন্দিজ পর্বতমালা এশিয়ার বাইরে অবস্থিত সর্বোচ্চ পর্বতমালা যার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আকোঙ্কাগুয়ার উচ্চতা সমূদ্রপৃষ্ঠ হতে ৬,৯৬২ মিটার (২২,৮৪১ ফুট)।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। এই শৃঙ্গটি হিমালয়ের মহালঙ্গুর হিমাল পর্বতমালায় অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে এর উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার (২৯,০৩২ ফুট) হলেও পৃথিবীর কেন্দ্র হতে এই শৃঙ্গের দূরত্ব সর্বাধিক নয়। চীন ও নেপালের আন্তর্জাতিক সীমান্ত এভারেস্ট পর্বতের শীর্ষবিন্দু দিয়ে গেছে।
মাউন্ট এভারেস্ট
অবস্থান: নেপাল-তিব্বত (চীন)
উচ্চতা: ৮৮৪৮ মি. বা ২৯,০৩৫ ফুট
বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। এই শৃঙ্গের
নেপালি নাম - সাগরমাতা
তিব্বতি নাম - চেমোলুংমা
চীনা নাম - কোকোল্যাংমাপ্রথম এভারেস্ট বিজয়ী হলেন নেপালের শেরপা তেনজিং নোরগে এবং নিউজিল্যান্ডের এডমন্ড হিলারি (২৯ মে, ১৯৫৩)
প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী নারী জুনকো তাবেই (১৯ মে, ১৯৭৫)
প্রথম ভারতীয় হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গে আরোহণ করেন অবতার সিং।
এভারেস্ট জয়ী প্রথম বাংলাদেশী মুসা ইব্রাহিম। (২৩ মে, ২০১০)
এভারেস্ট জয়ী প্রথম বাংলাদেশী নারী নিশাত মজুমদার। (১৯ মে, ২০১২)
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
টাইগার হিল : জম্মু ও কাশ্মীরের কারগিলের অঞ্চলের একটি পর্বত। দার্জিলিং-এ অবস্থিত একটি রেল স্টেশন।
টাইগার হিল বলতে মূলত দুটি স্থানকে বোঝানো হয়: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং-এর একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র, যা কাঞ্চনজঙ্ঘা ও এভারেস্টের মনোমুগ্ধকর সূর্যোদয়ের জন্য পরিচিত; এবং লাদাখের কার্গিল-এর একটি পর্বত, যা ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধের জন্য বিখ্যাত। দার্জিলিং-এর টাইগার হিল থেকে হিমালয়ের [[মাউন্ট এভারেস্ট]] ও কাঞ্চনজঙ্ঘার অসাধারণ দৃশ্য দেখা যায়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
পৃথিবীর বিখ্যাত আগ্নেয়গিরিগুলোর মধ্যে রয়েছে ইতালির ভিসুভিয়াস (ঐতিহাসিক অগ্ন্যুৎপাতের জন্য), হাওয়াইয়ের মাউনা লোয়া (বৃহত্তম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি) ও কিলাউইয়া (অত্যন্ত সক্রিয়), এবং চিলি-আর্জেন্টিনা সীমান্তে অবস্থিত ওজোস দেল সালাডো (সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি), এবং ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট সিনাবুং ও ক্রাকাতোয়া (বিশাল অগ্ন্যুৎপাতের জন্য বিখ্যাত)।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ভিসুভিয়াস পর্বত (ইতালীয়: Monte Vesuvio, লাতিন: Mons Vesuvius) ইতালির নেপলস উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত আগ্নেয়গিরি, যা নেপলস শহর থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার পূর্বে সমুদ্র উপকূলের খুব কাছে অবস্থান করছে। এটি ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত একমাত্র আগ্নেয়গিরি যেখানে গত কয়েক শতাব্দীর মধ্যে অগ্ন্যুৎপাত ঘটেছে, যদিও বর্তমানে এটি শান্ত রয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব ৭৯ অব্দের ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের মাধ্যমে ভিসুভিয়াস বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করে; এই অগ্ন্যুৎপাতে পম্পেই, হেরকুলেনিয়াম, অপ্লোন্তিস ও স্তাবিএসহ বহু রোমান শহর লাভা, ভস্ম ও আগ্নেয় গ্যাসে চাপা পড়ে ধ্বংস হয়ে যায় এবং ধারণা করা হয় এতে এক হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সারনো নদীর গতিপথ ও উপকূলীয় ভূপ্রকৃতির পরিবর্তন ঘটে এবং ভিসুভিয়াসের চূড়ার গঠনও ব্যাপকভাবে বদলে যায়। পরবর্তী সময়ে বহুবার অগ্ন্যুৎপাত হওয়ায় এবং এর আশপাশে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষের বসবাস থাকায় ভিসুভিয়াসকে বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক আগ্নেয়গিরি হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯৯৫ সালে এলাকাটিকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করা হয় এবং বর্তমানে এর শিখর দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৮৮০ সালে নির্মিত ফানিকুলার কেবল কারটি ১৯৪৪ সালের অগ্ন্যুৎপাতে ধ্বংস হয়ে যায়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- পার্বত্য অঞ্চলে সংকীর্ণ অনুচ্চ পথকে গিরিপথ বলে
- খারদুং লা পাশ- জম্মু ও কাশ্মিরে অবস্থিত।
- আলপিনা— কলোরাডো, যুক্তরাষ্ট্র।
- গ্রেড সেন্ট বার্নাড- আল্পাস পর্বতমালায় ।
- বোলান - বেলুচিস্তান, পাকিস্তান।
- সালান গিরিপথ- আফগানিস্থানে
- শিপকা গিরিপথ- বুলগেরিয়া অবস্থিত ।
- খাইবার গিরিপথ- পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্তে খাইবার গিরিপথ ।
- আলপাইন গিরিপথ- সুইজারল্যান্ড
- গোবি মরুভূমি অবস্থিত- মঙ্গোলিয়া ও চীনে
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মরুভূমি- সাহারা (আফ্রিকার ১০টি দেশে বিস্তৃত)
- ‘আফ্রিকার দুঃখ” বলা হয়- সাহারা মরুভূমিকে
- আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চল পরিচিত ‘সাহেল” (পরিবর্তনশীল অঞ্চল)
- থর মরুভূমি অবস্থিত- ভারত-পাকিস্তান
- কারাকুম মরুভূমি অবস্থিত- রাশিয়ায়
- কালাহারি মরুভূমি অবস্থিত- দক্ষিণ আফ্রিকায়
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া অবস্থিত- অস্ট্রেলিয়াতে
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
উত্তর আফ্রিকা
এশিয়া
দক্ষিণ আফ্রিকা
চীন
গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় মরুভূমি যা চীন এবং মঙ্গোলিয়ার দক্ষিণাংশ জুড়ে রয়েছে। ১,৫০০ কি.মি. জুড়ে বিস্তৃৃত। এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি। এর আয়তন ১২ লক্ষ ৯৫ হাজার বর্গ কি.মি।
- শীতল মরুভূমি
- অবস্থান- মঙ্গোলিয়া, চীন
- এটি এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত। এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ এ মরুভূমি চীন ও মঙ্গোলিয়ায় বিদ্যমান।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
সাহারা হলো বিশ্বের বৃহত্তম গরম মরুভূমি এবং অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের পরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি। এর আয়তন ৯২,০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার অথবা ৩৬,০০০,০০ বর্গমাইল।
- অবস্থান - উত্তর আফ্রিকা
- বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি ।
- আফ্রিকার দুঃখ বলা হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত- নায়াগ্রা জলপ্রপাত (যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা) ।
- উচ্চতায় বিশ্বের বড় জলপ্রপাত- অ্যাঞ্জেল ফলস্
- অ্যাঞ্জেল ফলস্ অবস্থিত- ভেনিজুয়েলার ক্যানাইমা ন্যাশনাল পার্কে
- লিভিংস্টোন ও স্ট্যানলি - আফ্রিকার দুটি বিখ্যাত জলপ্রপাত
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত- জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়েতে অবস্থিত আফ্রিকার বৃহত্তম জলপ্রপাত
- গুয়ারিয়া (সর্বচ্চ পানি প্রবাহ) জলপ্রপাতটি অবস্থিত- ব্রাজিলে ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
নায়াগ্রা জলপ্রপাত : নায়াগ্রা জলপ্রপাত কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে নায়াগ্রা নদীতে অবস্থিত। নায়াগ্রা জলপ্রপাত হলো বিশ্বের প্রশস্ততম জলপ্রপাত। এটি মূলত তিনটি ঝর্ণার সমষ্টি যা কানাডার ওন্টারিও ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রাজ্যের সীমান্তে অবস্থিত। তিনটি অংশ হলো: আমেরিকান ফলস , হর্সশু ফলস ( এবং ব্রাইডাল ভেল ফলস । এর গড় উচ্চতা ১৬৭ ফুট বা ৫২ মিটার । বিশ্বের পর্যটকদের নিকট একটি আকর্ষণীয় জায়গা হিসেবে নায়াগ্রা খুবই পরিচিত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
স্ট্যানলি জলপ্রপাত : স্ট্যানলি জলপ্রপাত কঙ্গোতে অবস্থিত। স্ট্যানলি জলপ্রপাত ২০০ ফুট উচ্চতা থেকে পতিত হয় । এটি বর্তমানে বোয়ামা নামে পরিচিত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ- ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
- উত্তমাশা অন্তরীপের অবস্থান- দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে।
- চেলুসকিন অন্তরীপ- এশিয়ার সর্বউত্তর বিন্দু।
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ অবস্থিত- ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে।
- সেন্ট ভিনসেন্ট অন্তরীপ অবস্থিত- পর্তুগালের দক্ষিণে (আটলান্টিক মহাসাগরে)
- অ্যাঙ্গানো অন্তরীপ অবস্থিত- ফিলিপাইন
- কামাউ অন্তরীপ অবস্থিত- ভিয়েতনাম
- বাঙ্কো অন্তরীপ অবস্থিত- মৌরিতানিয়া।
- উত্তমাশা অন্তরীপ বা Cape of Good hope অবস্থিত- দক্ষিণ আফ্রিকায়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
সমুদ্রপৃষ্ঠ (Sea Level) হলো গড় জোয়ার ও ভাটার মাঝামাঝি একটি কাল্পনিক অনুভূমিক তল, যা ভূমি ও সমুদ্রের উচ্চতা পরিমাপের মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়; এটি বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উষ্ণায়ন ও বরফ গলার কারণে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বাংলাদেশসহ উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যা ও লবণাক্ততা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করছে এবং ভূমি নিমজ্জিত হওয়ার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ- ইন্দোনেশিয়ার টোবা
- পৃথিবীর বৃহত্তম আগ্নেয় দ্বীপ- মাওনা লোয়া (Mauna Loa) দ্বীপ হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত।
- একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি- ইতালির ভিসুভিয়াস
- জাপানের ফুজিয়ামা একটি- সুপ্ত আগ্নেয়গিরি
- মায়নমারের বিখ্যাত মৃত আগ্নেয়গিরির নাম- পোপা
- আগ্নেয়গিরির ফলে ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরী- ইতালির পম্পেই নগরী।
- আফ্রিকার কিলিমাঞ্জারো মূলত- লুপ্ত /মৃত আগ্নেয়গিরি।